ঢাকা , বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মার্কিন রণতরীর দিকে ‘এগিয়ে যেতেই’ ইরানের ড্রোনকে ধ্বংস করল আমেরিকা! দেশে পৌঁছেছে ৩ লাখ ২৬ হাজার প্রবাসীর ভোট পাকিস্তানে ব্যাপক সংঘর্ষে নিহত ২৫৫ আলবাসেতেকে হারিয়ে সেমিফাইনালে বার্সেলোনা ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনায় ভয়াবহ ড্রোন হামলা রাশিয়ার কোচিং সেন্টার ও নোট-গাইড বন্ধে কঠোর বিধান রেখে শিক্ষা আইনের খসড়া প্রস্তুত ১৭১ মিলিয়ন ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাথে থাকলে সঙ্গী, পাশে না থাকলে জঙ্গি—এটাই কি রাজনীতির নীতি?: ঠাকুরগাঁওয়ে রাশেদ প্রধান বাংলাদেশি যুবককে গুলির ঘটনায় নিউইয়র্কের মেয়র মামদানির ‘অস্পষ্ট ব্যাখ্যা’ বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসীদের ভিসা স্থগিতাদেশে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা উন্নয়ন খাতে ইউএনডিপির ভূমিকার প্রশংসা বাংলাদেশের নাটোরে এনসিপির নির্বাচনী সমাবেশ মঞ্চে হাতাহাতি এপ্রিলে তীব্র তাপপ্রবাহ ও ঘূর্ণিঝড়ের আভাস রাশিয়ার থেকে তেল কেনা বন্ধ করার বিষয়ে ভারত কিছু জানায়নি ট্রাম্পের দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলল পুতিনের দেশ সাফাইকর্মীকে বাড়িতে ডেকে সোনার হার উপহার দিলেন কেন রজনীকান্ত? মানিকগঞ্জে পাকিস্তানি আগ্নেয়াস্ত্র, বোমা ও ককটেল উদ্ধার জামায়াত কর্মীর সিল জালিয়াতি, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শামিল: এ্যানি নোয়াখালীতে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা শিক্ষকের চিকিৎসার নামে নিঃসন্তান গৃহবধূকে কবিরাজের ধর্ষণ জামায়াত আমিরের ‘মন্তব্যের’ প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে ঝাড়ু মিছিল

পড়াশোনায় তুখোড় হবে, স্কুলে যেতেও উৎসাহ পাবে, সন্তানকে যে ৫টি কথা রোজ বলবেন?

  • আপলোড সময় : ২৫-০৫-২০২৫ ০৬:০৮:৩১ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৫-০৫-২০২৫ ০৬:০৮:৩১ অপরাহ্ন
পড়াশোনায় তুখোড় হবে, স্কুলে যেতেও উৎসাহ পাবে, সন্তানকে যে ৫টি কথা রোজ বলবেন? ফাইল ফটো
স্কুল থেকে ফিরে পড়তে বসতে চায় না অনেক শিশুই। স্কুলে না যাওয়ার জন্যও নানা বাহানা বানায়। পড়াশোনার নাম শুনলেই যেন গায়ে জ্বর আসে। বকাবকি করে পড়তে বসিয়েও মনোযোগ দিতে পারে না। মন সবসময়েই মোবাইল বা খেলাধূলার দিকে থাকে। বেশির ভাগ বাড়িতেই বাবা-মাকে এই সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এর কারণ কী, কখনও ভেবে দেখেছেন? সন্তানের মনঃসংযোগের অভাব, অতিরিক্ত জেদ অথবা পড়াশোনায় অমনোযোগী হওয়ার নেপথ্যে অভিভাবকরাই দায়ী নন তো?

পেরেন্টিং কনসালট্যান্ট পারমিতা মুখোপাধ্যায় জানাচ্ছেন, বেশির ভাগ বাড়ির ছবিটাই এ রকম। এর জন্য বাবা-মায়েরাই দায়ী অনেক ক্ষেত্রেই। সন্তান স্কুল থেকে ফিরলে ক’জন বাবা বা মা জিজ্ঞাসা করেন, “আজ স্কুলের সময়টা কেমন কাটল?” সারা দিন সে কী কী করেছে, ক’জন সহপাঠীকে কাজে সাহায্য করেছে— এমন কথাও জানতে চান না বেশির ভাগই। সন্তানের কেন মনখারাপ বা তার দৈনন্দিন জীবনে কী হচ্ছে, তা জানার মধ্যে ফাঁক থেকে যায়। নানা সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, সন্তানের মানসিক উন্নতি, মায়ের সঙ্গে সম্পর্কের দৃঢ়তা নির্ভর করে সুন্দর সময় কাটানোর উপরে। তাই, রোজ সন্তানের সঙ্গে একান্ত সময় কাটানো ও তাকে কিছু কথা জিজ্ঞাসা করা খুবই জরুরি।

কী কী জানতে চাইবেন?
১) স্কুল থেকে ফেরার পরেই পরীক্ষার খাতা দেখতে চাইবেন না। সে কত নম্বর পেল তা-ও নয়। আগে জিজ্ঞাসা করুন, স্কুলের সময়টা সে কেমন ভাবে কাটালো, সারা দিনে কী কী কাজ করেছে। মা-বাবা এমন ভাবে জানতে চাইলে, সন্তানের স্কুলের প্রতি বা পড়াশোনার প্রতি ভীতি কমবে।

২) সারাদিনের কোন ঘটনা তাকে আনন্দ দিয়েছে— সেটিও জানতে চান। সহপাঠীর সঙ্গে খেলাধূলার মুহূর্ত, টিফিনের সময়ের হুল্লোড় অথবা ক্লাসে ঘটা কোনও ঘটনা যা তাকে আনন্দ দিয়েছে, সেটি ধৈর্য ধরে শুনুন। শিক্ষক বা শিক্ষিকা প্রশংসা করেছেন কি না, বা কী করলে সে এমন প্রশংসা পাবে, তা শিখিয়ে দিন।

৩) সন্তানের যদি মনখারাপ থাকে, তা হলে সে কারণ জানতে চান। প্রথম প্রথম হয়তো আড়ষ্ট থাকবে, সব কথা বলতে চাইবে না। তবে যদি বাবা বা মা এমন কথোপকথন চালিয়ে যান, তা হলে ভরসার জায়গা তৈরি হবে। জীবনে ব্যর্থতা ও অন্য প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কী করণীয়, তার পাঠ দেওয়া যেতে পারে এই সময়টাতেই। বহির্জগতের প্রতিযোগিতামূলক যাবতীয় ধাক্কার কথা সে যেন বাড়িতে বলতে পারে, তৈরি হবে সেই পরিসরও।

৪) সহমর্মিতার পাঠও দিতে হবে শিশুকে। প্রতিদিন কোন একটি ভাল কাজ করা শেখাতে হবে। স্কুলে সহপাঠী হোক অথবা তার বয়সি বা তার থেকে বড় কেউ হোক, কাকে কী ভাবে সাহায্য করতে পারে সে পাঠ দিতে হবে ছোট থেকেই। টিফিন ভাগ করে খাওয়া, নিজের জিনিসপত্রও অন্যের সঙ্গে ভাগ করা শেখাতে পারলে, সন্তানের মধ্যে স্বার্থপর মনোভাব তৈরিই হবে না।

৫) কোনও বই, খেলাধুলো, বিজ্ঞানের নানা দিক নিয়ে আলোচনার অভ্যেস গড়ে তোলা যেতে পারে। কোনও কঠিন উপায়ে নয়, রোজ কিছুটা সময় সন্তানের সঙ্গে কোনও আলোচনা, প্রশ্ন করা, একসঙ্গে কোনও কাজ করার মাধ্যমে সহজেই লালন করা যাবে এই দিকগুলি। ভাল সময় কাটানোর মাধ্যমে সন্তানের বৃদ্ধির তিনটি দিকের উপরে সরাসরি প্রভাব পড়ে— কগনিটিভ অর্থাৎ চিন্তাশক্তি বা বুদ্ধিমত্তা, লিঙ্গুইস্টিক অর্থাৎ ভাষাগত, সোশ্যাল অ্যান্ড ইমোশনাল অর্থাৎ সামাজিক ও মানসিক বৃদ্ধি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পেশাদারিত্ব বজায় রাখার আহ্বান

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পেশাদারিত্ব বজায় রাখার আহ্বান